twitter
RSS not configured
rss

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites
২৬ জুলা

ঘটনাটি এক ট্রাক ড্রাইভারের। সে একবার ঢাকা থেকে গাড়ি নিয়ে চট্টগ্রাম আসছিল । চট্টগ্রাম এর কাছাকাছি সীতাকুণ্ড নামক এলাকায় আসতে আসতে রাত ১১/১২ বেজে যায়, তার সাথে তার হেল্পার ছিল । এর মধ্যে সে একটি চা এর দোকান দেখে সেখানে চা খেতে নামে । চা খাওয়ার এক পর্যায়ে সে (ড্রাইভার) বলে যেতার একটু টয়লেটে যেতে হবে। তখন সে চা দোকানদার কে জিজ্ঞেস করে আশেপাশে কোথাও টয়লেট আছে কি না।দোকানদার তার দোকানের পিছনে দেখিয়ে বলে যে একটু ভেতরে একটি পুরান টয়লেট আছে। তারা ওটাই ব্যাবহার করে। তবে সে ওই ড্রাইভার কে সাথে কেউ একজনকে নিয়ে যেতে বলল । বলে রাখা ভাল’, টয়লেট টা যেখানে ছিল সে জায়গাটা একটু জঙ্গল টাইপের ছিল । চা এর দোকানে কয়েকজন লোক ছিল তাই সে (ড্রাইভার)একটু সাহস দেখিয়ে বলল কাউকে লাগবে না সেএকাই যেতে পারবে । তো লোকটি জঙ্গলের ভিতরে গেলো এবং টয়লেট খুঁজতে লাগলো। কিছুক্ষণ খোঁজার পর যখন পেলনা , আর দেখল যেজঙ্গলে কেউ নেই তখন সে একটি গাছেরআড়ালে বসে পড়লো । তার প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর সে যখন দোকানের দিকে আসছে , তখন সে হটাৎকরে দেখতে পেল একটা জায়গায় দুটি ছোট মেয়ে বসে বসে কি যেন করছে। সে একটু ভয়পেয়ে যায় এটা দেখে । কিন্তু তারপরও সে মেয়ে দুটির কাছে যায় আর বলে ‘‘এই তোমরা এত রাতে এখানে কি কর’’ এই কথা বলার কিছুক্ষণ পর মেয়ে দুটি একসাথে তার দিকে তাকায় এবং তার (ড্রাইভার)মতে সে দেখল যে মেয়ে দুটির মুখমণ্ডল একদম ফ্যাঁকাসে আর তাদের চোখ গুলোছিল অস্বাভাবিকভাবে বড় এবং মুখে ছোপ ছোপ রক্ত লেগে আছেযেন তারা কিছু একটা এতক্ষন খাচ্ছিল!! এই দৃশ্য দেখার পর সেআর এক মুহূর্ত দেরি না করে চিৎকার দিয়ে দৌড়াতে আরম্ভ করে । সে প্রানপনেদৌড়ে যাচ্ছে কিন্তু তার কাছে মনে হচ্ছিলো যেন সে একই জায়গায় বৃত্তাকারে দৌড়ে যাচ্ছে । কিছুক্ষন পর সে এবং দিক ঠিক করার জন্য আশেপাশে তাকায় । হটাৎ সে দেখল যে সেই মেয়েদুটি তার দিকে দৌড়ে দৌড়ে আসছে তাদের মুখে এখনো রক্ত মাখা, সে দৌড়াতে আর চিৎকার করতে থাকে কিন্তু সে কিছুক্ষন পরে অনুভব করে কে যেন তার পা আগলে ধরেছে! তাকিয়ে দেখে যে, তাকে ওই মেয়ে দুটো তাকে ধরে ফেলেছে! সে আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারল না । অতিরিক্ত ভয়ের কারনে অজ্ঞান হয়ে পরে যায় । সে যখন চোখ খুলে তখন সে নিজেকে আবিষ্কার করে চায়ের দোকানটাতে বেঞ্চিতে শোয়া অবস্থায় । এবং তার চারপাশে কিছু মানুষ তাকে দেখছে । সে একটু সুস্থ হয় এবং উঠে বসে । তারপর তার হেল্পার তাকে কি হয়েছে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে সে সব ঘটনা খুলে বলে । সব শুনে তার হেল্পার এবং দোকানদার বলে যে তুমি যাওয়ার অনেকক্ষণ পরও যখন দেখলাম তুমি আসছ না তখন ভাবলাম যে তোমার চাপ হয়তো বেশী তাই দেরি হচ্ছে । কিন্তু কিছুক্ষন পর শুনলাম কে যেন জঙ্গলের ভেতর দৌরাচ্ছে । তো কিছুক্ষন পর আমরা কয়েকজন ভেতরে যাই এবং তোমাকে টয়লেট হতে অনেক দূরে পরে থাকা অবস্তায় পাই । কিন্তু তোমার চিৎকারের আওয়াজ আমরা কেউ শুনিনি ।সব শোনার পর দোকানদার বলে যে এই জন্য আমি তোমাকে সাথে করে কাউকে নিয়ে কিন্তু তুমি শুননি । এখানে অনেকে অনেক কিছু দেখে আমরা দিনের বেলাই ওখানে যেতে ভয় পাই আর তুমি রাতেরবেলা ওখানে গেছো । তারপর একসময় সকাল হয় তারা ওই দোকানেই বসে থাকে সকাল হওয়ার পর তারা জঙ্গলের ভেতর ওই জায়গাটাতে যায় যেখানে সে (ড্রাইভার) দেখেছিল মেয়ে দুটি কে, তারা সেখানে যাওয়ার পর তারা দেখে যে সেখানে একটি আধা খন্ড বিচ্ছিন্ন বিড়ালের মত কিছু একটা পরে আছে । তারপর তারা গাড়ি নিয়ে সে স্থান ত্যাগ করে ।

Comments

comments

Leave a Reply: